মহল্লার যারা মসজিদে জুমা আদায় করতে পারবে না, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো হয়রানি বা নিষেধের আশঙ্কা না হলে ‘ইজনে আ’ম’
মহল্লার যারা মসজিদে জুমা আদায় করতে পারবে না, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো হয়রানি বা নিষেধের আশঙ্কা না হলে ‘ইজনে আ’ম’
এর সঙ্গে নিজেদের বৈঠকখানা বা বাহির কামরায় জুমা আদায় করবে। অর্থাৎ আশপাশের লোকদেরকে ইত্তেলা দিবে, যেন যাদের জুমায় শরীক হওয়ার
ইচ্ছা আছে তারা শরীক হতে পারে। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার খাতিরে এখানেও যদি চার-পাঁচজনের বেশি জমায়েত হওয়া নিষেধ হয় তাহলে ইমাম ব্যতিত তিনজন
বালেগ পুরুষ মুসল্লি নিয়ে জুমাই আদায় করবে। খুতবা ও কেরাত সংক্ষেপ করবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো হয়রানি বা বিধি-নিষেধের আশঙ্কা হলে জুমার আগেই
তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে আশ্বস্ত করবেন। সতর্কতা স্বরূপ নিম্নের দু’টি বিষয়ে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে-
এক. যারা নিজের ঘর বা বাইরের কামরায় তিন, চারজন মুসল্লি নিয়ে জুমা আদায় করবেন, আশঙ্কা ও ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলোতে তারা শুধু নিজেদের বুঝের ওপর ভরসা করবেন না।
বরং দুজন আলেম ও অবস্থা সম্পর্কে গভীরভাবে জানেন এমন দু’জন ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে জুমা আদায় করবেন।
দুই. ভবিষ্যতে অবস্থা কোন দিকে গড়াবে তা এখন বলা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক শুক্রবারে জুমা আদায়ের ব্যাপারে ওই দিনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
অবস্থা থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে পূর্বের কোনো জুমার ওপর তুলনা করে জুমা কায়েম করা যাবে না।
(গ) শহর, উপশহর বা বড় গ্রামে থেকেও যারা পূর্বে বর্ণিত বিবরণ মেনে নিজেদের বৈঠকখানা বা বাহির কামরায় জুমা আদায় করতে সক্ষম হননি।
চাই তা জুমার ইমাম না পাওয়া, প্রশাসনের পক্ষ থেকে হয়রানির আশঙ্কা, মানুষের সৃষ্টিগত ভয়, তিনজন মুসল্লি না পাওয়া বা অন্য কোনো কারণে হোক তারা
শরীয়তের দৃষ্টিতে অপারগ হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। তারা জুমার স্থলে জোহর আদায় করে নেবে। এটা তাদের জন্য মাকরূহও হবে না।
কেননা, নিজেকে হয়রানিতে ফেলা ইসলাম সমর্থন করে না।
(২) দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিলো যারা জোহর আদায় করবে তারা একাকি পড়বে নাকি জামাতের সঙ্গে?
এর উত্তর হলো, তারা জোহরের নামাজ একাকি পড়বে, জামাতে নয়। কারণ, শরীয়তের বিধান হলো, যে সব এলাকায় জুমা সহিহ হওয়ার শর্ত
পাওয়ার কারণে জুমা আদায় করা হয়, সেখানকার অপারগ বা স্বাভাবিক ব্যক্তিদের জন্য জোহরের নামাজ জামাতে আদায় করা মাকরূহ।
চাই জুমা ছোট জামাতে আদায় হোক বা বড়, এক জায়গায় হোক বা বহু জায়গায়। হানাফি ফিকহের মৌলিক কিতাবাদি ও আকাবিরে দেওবন্দের
ফতোয়াতে এমনটাই পাওয়া যায়। দলীল-প্রমাণের ভিত্তিতে এই মতই গ্রহণযোগ্
এর সঙ্গে নিজেদের বৈঠকখানা বা বাহির কামরায় জুমা আদায় করবে। অর্থাৎ আশপাশের লোকদেরকে ইত্তেলা দিবে, যেন যাদের জুমায় শরীক হওয়ার
ইচ্ছা আছে তারা শরীক হতে পারে। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার খাতিরে এখানেও যদি চার-পাঁচজনের বেশি জমায়েত হওয়া নিষেধ হয় তাহলে ইমাম ব্যতিত তিনজন
বালেগ পুরুষ মুসল্লি নিয়ে জুমাই আদায় করবে। খুতবা ও কেরাত সংক্ষেপ করবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো হয়রানি বা বিধি-নিষেধের আশঙ্কা হলে জুমার আগেই
তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে আশ্বস্ত করবেন। সতর্কতা স্বরূপ নিম্নের দু’টি বিষয়ে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে-
এক. যারা নিজের ঘর বা বাইরের কামরায় তিন, চারজন মুসল্লি নিয়ে জুমা আদায় করবেন, আশঙ্কা ও ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলোতে তারা শুধু নিজেদের বুঝের ওপর ভরসা করবেন না।
বরং দুজন আলেম ও অবস্থা সম্পর্কে গভীরভাবে জানেন এমন দু’জন ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে জুমা আদায় করবেন।
দুই. ভবিষ্যতে অবস্থা কোন দিকে গড়াবে তা এখন বলা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক শুক্রবারে জুমা আদায়ের ব্যাপারে ওই দিনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
অবস্থা থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে পূর্বের কোনো জুমার ওপর তুলনা করে জুমা কায়েম করা যাবে না।
(গ) শহর, উপশহর বা বড় গ্রামে থেকেও যারা পূর্বে বর্ণিত বিবরণ মেনে নিজেদের বৈঠকখানা বা বাহির কামরায় জুমা আদায় করতে সক্ষম হননি।
চাই তা জুমার ইমাম না পাওয়া, প্রশাসনের পক্ষ থেকে হয়রানির আশঙ্কা, মানুষের সৃষ্টিগত ভয়, তিনজন মুসল্লি না পাওয়া বা অন্য কোনো কারণে হোক তারা
শরীয়তের দৃষ্টিতে অপারগ হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। তারা জুমার স্থলে জোহর আদায় করে নেবে। এটা তাদের জন্য মাকরূহও হবে না।
কেননা, নিজেকে হয়রানিতে ফেলা ইসলাম সমর্থন করে না।
(২) দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিলো যারা জোহর আদায় করবে তারা একাকি পড়বে নাকি জামাতের সঙ্গে?
এর উত্তর হলো, তারা জোহরের নামাজ একাকি পড়বে, জামাতে নয়। কারণ, শরীয়তের বিধান হলো, যে সব এলাকায় জুমা সহিহ হওয়ার শর্ত
পাওয়ার কারণে জুমা আদায় করা হয়, সেখানকার অপারগ বা স্বাভাবিক ব্যক্তিদের জন্য জোহরের নামাজ জামাতে আদায় করা মাকরূহ।
চাই জুমা ছোট জামাতে আদায় হোক বা বড়, এক জায়গায় হোক বা বহু জায়গায়। হানাফি ফিকহের মৌলিক কিতাবাদি ও আকাবিরে দেওবন্দের
ফতোয়াতে এমনটাই পাওয়া যায়। দলীল-প্রমাণের ভিত্তিতে এই মতই গ্রহণযোগ্
![]() |
| মহল্লার যারা মসজিদে জুমা আদায় করতে পারবে না, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো হয়রানি বা নিষেধের আশঙ্কা না হলে ‘ইজনে আ’ম’ |
