আমেরিকার রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বাংলাদেশের করোনা প্রস্তুতি কেমন l স্বাস্থ্য মন্ত্রী বললেন, “আমরা তিন মাস আগে থেকে প্রিপারেশন নিয়ে রেখেছি” l
কল্প কাহিনী
=======
=======
আমেরিকার রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বাংলাদেশের করোনা প্রস্তুতি কেমন l স্বাস্থ্য মন্ত্রী বললেন, “আমরা তিন মাস আগে থেকে প্রিপারেশন নিয়ে রেখেছি” l
—আপনাদের দেশে হাসপাতালে ভেন্টিলেটর কেমন আছে? কি পরিমান আছে?
—আমাদের ঢাকায় হাসপাতালগুলিতে তো আছেই, জেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে আরো বেশি ভেন্টিলেটর আছে l
—উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে ভেন্টিলেটর নাই?
—কি বলেন? ওখানে আরও বেশি আছে l বড় রুমগুলিতে ৪-৫টা করে ভেন্টিলেটর l বোঝেনই তো, ধুলাবালির এলাকা, মানুষের শ্বাসকষ্ট হতেই পারে l
রবার্ট মিলার খুব আশ্বস্ত হলেন আর ভাবলেন এত ভেন্টিলেটর এদের কাছে আছে, তাহলে আমেরিকার জন্যে কিছু নেয়া দরকার, সেখানে ভেন্টিলেটরের অভাবে কত রোগী কোরোনাভাইরাসে মারা যাচ্ছে l তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন যে আপনাদের অনেক করোনা সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট আছে, আমরা কি কিছু কিনে নিতে পারি একটা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে”?
পররাস্ট্র মন্ত্রী বললেন, “কেন নয়, আপনি স্পেসিফিকেশন আর স্যাম্পল এর ছবি পাঠিয়ে দিন” l
মিলার সাহেব বললেন আধা ঘন্টার মধ্যে তিনি লোক মারফত পাঠিয়ে দেবেন l
পররাষ্ট্র মন্ত্রী এই সুযোগে আধা ঘন্টার মধ্যে লাইভএ এসে বললেন, “আমেরিকাও আমাদের কাছে করোনা সরঞ্জাম চেয়েছে” l
কিছুক্ষন পরে মিলার সাহেবের কাছ থেকে ভেন্টিলেটরের ছবি ও ডিটেল দিয়ে একটা অর্ডার আসলো l পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি স্বাস্থমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দিলেন l
স্বাস্থ্যমন্ত্রী অর্ডারের প্যাকেটটি পেয়ে মূর্ছা যাওয়ার অবস্থা l হঠাৎ করে চিন্তায় পড়ে গেলেন l এ তো দেখছি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের সেই হিজিবিজি যন্ত্রপাতির অর্ডার, নাম আবার লিখেছে ভেন্টিলেটর l তিনি তো আগা মাথা কিছুই বুজছেন না l মিলার সাহেবকে তো তিনি বলেছিলেন দেয়ালে উপরের দিকে ফুটা ফুটা চার কোনা যে ভেন্টিলেটর থাকে ঐগুলার কথা l ঐগুলাই তো বাতাস ভেন্টিলেট করে l মিলার সাহেব তো দেখছি একটা অথর্ব, ভেন্টিলেটর চিনে না।।
—আপনাদের দেশে হাসপাতালে ভেন্টিলেটর কেমন আছে? কি পরিমান আছে?
—আমাদের ঢাকায় হাসপাতালগুলিতে তো আছেই, জেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে আরো বেশি ভেন্টিলেটর আছে l
—উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে ভেন্টিলেটর নাই?
—কি বলেন? ওখানে আরও বেশি আছে l বড় রুমগুলিতে ৪-৫টা করে ভেন্টিলেটর l বোঝেনই তো, ধুলাবালির এলাকা, মানুষের শ্বাসকষ্ট হতেই পারে l
রবার্ট মিলার খুব আশ্বস্ত হলেন আর ভাবলেন এত ভেন্টিলেটর এদের কাছে আছে, তাহলে আমেরিকার জন্যে কিছু নেয়া দরকার, সেখানে ভেন্টিলেটরের অভাবে কত রোগী কোরোনাভাইরাসে মারা যাচ্ছে l তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন যে আপনাদের অনেক করোনা সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট আছে, আমরা কি কিছু কিনে নিতে পারি একটা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে”?
পররাস্ট্র মন্ত্রী বললেন, “কেন নয়, আপনি স্পেসিফিকেশন আর স্যাম্পল এর ছবি পাঠিয়ে দিন” l
মিলার সাহেব বললেন আধা ঘন্টার মধ্যে তিনি লোক মারফত পাঠিয়ে দেবেন l
পররাষ্ট্র মন্ত্রী এই সুযোগে আধা ঘন্টার মধ্যে লাইভএ এসে বললেন, “আমেরিকাও আমাদের কাছে করোনা সরঞ্জাম চেয়েছে” l
কিছুক্ষন পরে মিলার সাহেবের কাছ থেকে ভেন্টিলেটরের ছবি ও ডিটেল দিয়ে একটা অর্ডার আসলো l পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি স্বাস্থমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দিলেন l
স্বাস্থ্যমন্ত্রী অর্ডারের প্যাকেটটি পেয়ে মূর্ছা যাওয়ার অবস্থা l হঠাৎ করে চিন্তায় পড়ে গেলেন l এ তো দেখছি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের সেই হিজিবিজি যন্ত্রপাতির অর্ডার, নাম আবার লিখেছে ভেন্টিলেটর l তিনি তো আগা মাথা কিছুই বুজছেন না l মিলার সাহেবকে তো তিনি বলেছিলেন দেয়ালে উপরের দিকে ফুটা ফুটা চার কোনা যে ভেন্টিলেটর থাকে ঐগুলার কথা l ঐগুলাই তো বাতাস ভেন্টিলেট করে l মিলার সাহেব তো দেখছি একটা অথর্ব, ভেন্টিলেটর চিনে না।।

